দেশের বিভিন্ন এলাকাসহ ঠাকুরগাঁওয়ে শিলাবৃষ্টি ও দমকা ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সদর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে গিলাবাড়ি গ্রামে বজ্রপাতে ২টি গবাদিপশুর ও ২৬ এপ্রিল রবিবার পীরগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নে রশিদুল ইসলামের স্ত্রী লাবনী আকতার (৩৫) কোষাডাঙ্গীপাড়ার আকবর আলীর ছেলে ইলিয়াস আলী(৩৭) মৃত্যু হয়েছে।
বিশেষ করে কৃষিখাতে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে। মাঠের ভুট্টা গাছ নুয়ে পড়েছে, অনেক ক্ষেতের ফসল মাটিতে লুটিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। পাশাপাশি কলা, মরিচ, টমেটোসহ বিভিন্ন শাকসবজি ও আমের বাগানেও মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।
অন্যদিকে, জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঝড়ে ২৪৪টি পরিবারের বসতঘর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এছাড়া ৭৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদ আংশিক ভাবে ক্ষতির শিকার হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্যমতে, ঝড়ের কারণে প্রায় ২৮টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে। গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ে ৩৮২টি স্থানে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যাওয়ায় বহু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে।
এদিকে, ক্ষতি গ্রস্থ কৃষকদেরা পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে পারেন এজন্য দ্রুত সরকারি সহায়তা ও প্রণোদনার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি সম্পাদক আল্লামা ওয়াদুদ নুর আলিফ।
এ প্রসঙ্গে কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আকস্মিক এই দুর্যোগে অনেকের মৌসুমি ফসল পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। এতে করে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং সামনে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ভ’ট্টা খরিপ-১ মাটিতে নুয়ে পড়েছে ৪০ হেক্টর,গ্রীস্মকালিন পেঁয়াজ ০.২৮ টমেটো০.৬৫ হেক্টর,আম ৩৭৫,মরিচ ৪২ লিচু ৩.৫০ কলা ৫ হেক্টর জমিতে ক্ষয় ক্ষতির প্রাথমিক প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
বিশেষ করে কৃষিখাতে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে। মাঠের ভুট্টা গাছ নুয়ে পড়েছে, অনেক ক্ষেতের ফসল মাটিতে লুটিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। পাশাপাশি কলা, মরিচ, টমেটোসহ বিভিন্ন শাকসবজি ও আমের বাগানেও মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।
অন্যদিকে, জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঝড়ে ২৪৪টি পরিবারের বসতঘর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এছাড়া ৭৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদ আংশিক ভাবে ক্ষতির শিকার হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্যমতে, ঝড়ের কারণে প্রায় ২৮টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে। গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ে ৩৮২টি স্থানে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যাওয়ায় বহু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে।
এদিকে, ক্ষতি গ্রস্থ কৃষকদেরা পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে পারেন এজন্য দ্রুত সরকারি সহায়তা ও প্রণোদনার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি সম্পাদক আল্লামা ওয়াদুদ নুর আলিফ।
এ প্রসঙ্গে কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আকস্মিক এই দুর্যোগে অনেকের মৌসুমি ফসল পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। এতে করে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং সামনে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ভ’ট্টা খরিপ-১ মাটিতে নুয়ে পড়েছে ৪০ হেক্টর,গ্রীস্মকালিন পেঁয়াজ ০.২৮ টমেটো০.৬৫ হেক্টর,আম ৩৭৫,মরিচ ৪২ লিচু ৩.৫০ কলা ৫ হেক্টর জমিতে ক্ষয় ক্ষতির প্রাথমিক প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
মোঃ মোবারক আলী, রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও: